বান্দরবন সংবাদদাতা :
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলায় নবনির্মিত মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা হল রুমে ভার্চুয়াল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি ১২ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই তিন তলা বিশিষ্ট মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন বলেন, “দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদ লামাবাসীর জন্য এক অমূল্য সম্পদ। এর রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে। তিনতলা বিশিষ্ট এই মডেল মসজিদ কমপ্লেক্সে ৩২ ধরণের সুবিধা রয়েছে।”
উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “মসজিদ শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়, এটি মুসলিম উম্মাহর ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এখান থেকে সমাজের সহিষ্ণুতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে।” এছাড়া, তিনি বৃহত্তর লামা উপজেলার ঐতিহ্য ও সুনামের দিকটি তুলে ধরেন।
উপজেলা কমপ্লেক্স সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় সভাপতিত্ব করেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন। সভাটি সঞ্চালনা করেন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ চৌধুরী ও ফিল্ড অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বান্দরবান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো. সেলিম উদ্দিন। এছাড়া, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত রাঙ্গামাটি সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম, লামা সার্কেলের এএসপি এসএম নুরুল আনোয়ার, লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোফাজ্জল হোসেনসহ সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা জানান, ২০১৯ সালে লামা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। অবশেষে ২০২৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো। এর মাধ্যমে লামাবাসীর দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন পূরণ হলো।
অনুষ্ঠান শেষে নবনিযুক্ত ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয় এবং তাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।
Leave a Reply