অনলাইন ডেক্স :
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব অপরিহার্য। তিনি বলেন, জলবায়ু বিনিয়োগ সফল করতে কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং স্থানীয় সম্প্রদায় ও বাস্তুতন্ত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি। সরকার টেকসই পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ, উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রবিবার পানি ভবনে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির সাবেক নির্বাহী পরিচালক এবং নরওয়ের সাবেক পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী এরিক সোলহেইম এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এসব মন্তব্য করেন।
বৈঠকে আলোচনা হয় বাংলাদেশের জলবায়ু সহযোগিতা জোরদার করা, কার্বন বাজারের সুযোগ অন্বেষণ এবং বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিয়ে। পুনঃবনায়ন, আগ্রাসী প্রজাতি নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার সম্পর্কেও মতবিনিময় করা হয়। প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের বনায়ন ও সংরক্ষণ প্রচেষ্টায় সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করে এবং টেকসই বন ব্যবস্থাপনা ও ইকো-রেস্টোরেশন কর্মসূচির প্রস্তাব দেয়।
আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে জলবায়ু উদ্যোগে যুক্ত হতে কাঠামোবদ্ধ পন্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, প্রতিনিধিদল কার্বন ক্রেডিট প্রকল্প এবং নবায়নযোগ্য শক্তি সমাধানে বিনিয়োগের সম্ভাবনা জোর দিয়ে উল্লেখ করে। তারা প্যারিস চুক্তির অনুচ্ছেদ ৬ বাস্তবায়নের জন্য একটি শক্তিশালী জাতীয় কাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের কার্বন রেজিস্টার ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রস্তাব রাখেন।
বৈঠকের শেষে, উভয় পক্ষ সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী অর্থায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে জলবায়ু কর্মকে দ্রুততর করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একমত হন।
Leave a Reply