মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন

সমন্বয়ক পরিচয়ে অপহরণ : মুক্তিপণ আদায়ের পর উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫, ৯.৪৮ অপরাহ্ণ
  • ১১৪ বার

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা :

চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে অপহরণের শিকার হন প্যাসিফিক জিন্সের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) আবেদিন আল মামুন। অপহরণকারীরা তার পরিবার থেকে নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও ১৫ লাখ টাকার একটি ব্যাংক চেক আদায় করে। তবে পুলিশি অভিযানে মামুনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শুক্রবার (৭ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) জনসংযোগ শাখা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রামের কর্নেলহাট সিডিএ আবাসিকস্থ প্রভাতি এলাকা থেকে আবেদিন আল মামুনকে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা নিজেদের ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ প্রতিনিধি পরিচয়ে তাকে গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর মামুনকে তার ব্যক্তিগত নোহা গাড়িতে করে পতেঙ্গা সাগরপাড়, পাহাড়তলীর কর্নেলহাট জোন্স রোড এবং আকবর শাহ থানার বিভিন্ন এলাকায় ঘোরানো হয়।

এ সময় মামুনের গাড়িচালক জুয়েলকেও জিম্মি করে রাখা হয়। পরে অপহরণকারীরা মামুনের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার লিলির সঙ্গে যোগাযোগ করে মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ হিসেবে নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও ১৫ লাখ টাকার একটি ব্যাংক চেক আদায় করার পর অপহরণকারীরা মামুনকে নগরের অ্যাপোলো ইম্পেরিয়াল হসপিটাল এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পাহাড়তলী জোন পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের যৌথ দল অভিযান চালিয়ে ভিকটিম ও তার গাড়িচালককে উদ্ধার করে। এ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন— উত্তর কাট্টলীর জয়নাল আবেদিনের ছেলে নাজমুল আবেদিন, সিটি গেট এলাকার মাইনুল আমিন পারভেজের ছেলে নইমুল আমিন ইমন (২২), সিডিএ ১ নম্বর এলাকার বাসিন্দা আরাফাত হোসেন ফহিম (২২), রিসতি বিন ইউসুফ (২৩)।

আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান জানান, পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, নইমুল আমিন ইমনের বাসা থেকে মুক্তিপণের পাঁচ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় আরও যারা জড়িত, তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধারে সক্ষম হলেও পুরো চক্রটিকে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

Footer Widget

Footer Widget

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© 2019, All rights reserved.
Design by Raytahost.com