শেরপুর সংবাদদাতা :
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সারাদেশের মতো একযোগে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় প্রথম দিনের পরীক্ষা। তবে পরীক্ষার শুরুতেই অনুপস্থিতির চিত্রে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ—শেরপুর উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে মোট ৭১ জন পরীক্ষার্থী প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশ নেননি।
শেরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় তিনটি কেন্দ্রে মোট ১,৮৮৩ জন পরীক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিলেন। এর মধ্যে ১,৮৫৭ জন অংশ নিলেও ২৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি। সীমাবাড়ী এআর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সর্বাধিক ১১ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৮৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৫১ জন উপস্থিত ছিলেন এবং অনুপস্থিত ছিলেন ৪০ জন। এছাড়া ভোকেশনাল পরীক্ষায় শালফা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ কেন্দ্রে ২৮৯ জনের মধ্যে ২৮৪ জন অংশ নেন, আর ৫ জন অনুপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, অনুপস্থিতির সংখ্যা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে হতাশা ও উদ্বেগ লক্ষ্য করা গেছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উপজেলার সবকটি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শেরপুর সরকারি ডায়মন্ড জুবলী (ডি.জে) মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক আখতার উদ্দিন জানান, “আমাদের কেন্দ্রে পরীক্ষা নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছিল। কোথাও কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিক খান বলেন, “পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে আমরা আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। প্রতিটি কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।”
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। তবে পরীক্ষার প্রথম দিনেই এত সংখ্যক পরীক্ষার্থীর অনুপস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের ভাবনার যথেষ্ট কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞজনেরা।
Leave a Reply