রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
Title :
ফ্লাশের সময় কমোডের ঢাকনা তুলে রাখা উচিত নাকি নামিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের সমর্থনের ব্যাখ্যা দিলো প্রেস উইং আপিল শুনানির শেষ দিন আজ, দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েও সিদ্ধান্ত দেবে ইসি নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অনীহা ও শৈথিল্য দেখা গেলেই কঠোর ব্যবস্থা হজযাত্রীদের টিকাদান কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে বিজিবি মোতায়েন বিয়ে করলেই মিলবে বিশাল অনুদান, সন্তান জন্ম দিলে দ্বিগুণ! মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা ডিপার্টমেন্ট হবে: তারেক রহমান ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত বাংলাদেশের দাবি না মানলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান!

মোংলায় জমি দখল মামলায় পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মানিকসহ চার ভাই কারাগারে

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫, ৮.০৪ অপরাহ্ণ
  • ২৬২ বার

মংলা সংবাদদাতা :

বাগেরহাটের মোংলায় জমি দখলের মামলায় মোংলা পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মাহাবুবুর রহমান মানিক ও তার তিন ভাইকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বাগেরহাটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-০৩–এ আত্মসমর্পণ করলে আদালত চার আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী খন্দকার তুরানুজ্জামান অভিযোগে বলেন, মোংলা উপজেলার শেলাবুনিয়া মৌজায় পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমিতে তিনি ও তার পরিবার পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করছেন। ওই জমিতে তার বসতঘর, পুকুর ও দোকানঘর রয়েছে।

২০১৫ সালে মাহাবুবুর রহমান মানিকসহ চার ভাই ভাড়াটিয়া হিসেবে সেখানে বসবাস শুরু করেন। পরে তারা জমির মালিকানা দাবি করে দখল বজায় রাখেন এবং জমি ছাড়ার অনুরোধ উপেক্ষা করেন। বাদীর অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় তাদের ও স্বজনদের।

জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জমি পরিদর্শন করে জমিটি বাদীপক্ষের দখলে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন। এরপরও আসামিরা জমি ছাড়েননি। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার আপোষের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় বাদী আদালতের আশ্রয় নেন।

আদালতের নির্দেশে মাহাবুবুর রহমান মানিক (৪৮), জিয়াউর রহমান হিরন (৩৯), সোহাগ (৩০),  মিজানুর রহমান ফারুক (৪৪) নামে চার সহোদরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তারা মোংলা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র দাবি করেছে, মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক। তাদের ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট জমি তারা ডিসিআর-এর (Deputy Commissioner Receipt) মাধ্যমে বৈধভাবে বুঝে পেয়েছেন এবং জমির প্রকৃত মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তারা বলছেন, “এই বিষয়টি আদালতেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।”

এ বিষয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

Footer Widget

Footer Widget

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© 2019, All rights reserved.
Design by Raytahost.com