বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
Title :
ফ্লাশের সময় কমোডের ঢাকনা তুলে রাখা উচিত নাকি নামিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের সমর্থনের ব্যাখ্যা দিলো প্রেস উইং আপিল শুনানির শেষ দিন আজ, দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েও সিদ্ধান্ত দেবে ইসি নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অনীহা ও শৈথিল্য দেখা গেলেই কঠোর ব্যবস্থা হজযাত্রীদের টিকাদান কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে বিজিবি মোতায়েন বিয়ে করলেই মিলবে বিশাল অনুদান, সন্তান জন্ম দিলে দ্বিগুণ! মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা ডিপার্টমেন্ট হবে: তারেক রহমান ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত বাংলাদেশের দাবি না মানলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান!

বিশ্ব বিড়াল দিবস আজ: ভালোবাসা, যত্ন ও সচেতনতায় প্রিয় পোষা প্রাণী

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫, ১.০৫ অপরাহ্ণ
  • ২৪৩ বার

অনলাইন ডেক্স :

পোষা প্রাণীদের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রাণী হলো বিড়াল। কৌতূহলী স্বভাব, নরম লোম আর খেলাধুলাপ্রিয় ভঙ্গিমায় তারা মানুষের মন জয় করে নেয়। ছোট-বড় সকলেই বিড়ালের প্রতি মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ, বিশেষ করে শিশুরা খেলায় মেতে ওঠে এই ছোট্ট প্রাণীর সান্নিধ্যে, আর বড়রা পান মানসিক প্রশান্তি। বিশ্বজুড়ে বিড়ালের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

প্রতি বছর ৮ আগস্ট বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব বিড়াল দিবস। ২০০২ সালে ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার (IFAW) দিবসটির সূচনা করে, যার লক্ষ্য হলো বিড়ালের সঠিক যত্ন, সুরক্ষা ও তাদের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বাড়ানো। এরপর থেকে বিশ্বের নানা প্রান্তে দিনটি উৎসবমুখরভাবে পালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশেও বিড়াল পোষা অত্যন্ত জনপ্রিয়। দেশি বিড়ালের পাশাপাশি পার্সিয়ান, মিক্সড ব্রিড, বেঙ্গল ও সাইবেরিয়ান প্রজাতির বিড়াল সহজলভ্য। তবে স্থানীয়ভাবে দেশি ও পার্সিয়ান প্রজাতিই বেশি পছন্দের। প্রতিটি প্রজাতির আলাদা বৈশিষ্ট্য ও চাহিদা থাকায় সঠিক যত্নে বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন।

ইসলামে বিড়ালকে পরিচ্ছন্ন প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) নিজের বাড়িতে বিড়ালের প্রতি মায়া দেখিয়েছেন এবং মুসলিমদের তাদের ভালোভাবে লালন-পালনে উৎসাহিত করেছেন। ইসলামি দৃষ্টিতে বিড়ালের পরিচ্ছন্নতা ও সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, যা মুসলিম সমাজে তাদের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করেছে।

বিড়ালের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ রোগ ফ্লু, যা প্রতিরোধে বাচ্চা বিড়ালকে জন্মের ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে টিকা দেওয়া জরুরি। এরপর প্রতি বছর অন্তত একবার ভ্যাকসিন দিলে তারা সুস্থ থাকে এবং কামড় বা আঁচড় থেকে সৃষ্ট রোগের ঝুঁকি কমে। পাশাপাশি নিয়মিত পশুচিকিৎসকের কাছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত।

বিড়ালের মলের মাধ্যমে ছড়ানো টক্সোপ্লাজমোসিস মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া উকুন, ফ্লি ও অন্যান্য পরজীবী, সালমোনেলা এবং ক্যাম্পাইলোব্যাক্টর ব্যাকটেরিয়া মানুষের স্বাস্থ্যে ক্ষতি করতে পারে। তাই বিড়ালের সঠিক পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

আজ বিশ্ব বিড়াল দিবসে এই প্রিয় প্রাণীর প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি সচেতন যত্ন নিশ্চিত করাই হতে পারে মানুষের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

Footer Widget

Footer Widget

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© 2019, All rights reserved.
Design by Raytahost.com