অনলাইন ডেক্স :
ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার লক্ষ্যে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শেষ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিতে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন। মামলাটিতে আসামি হিসেবে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।
নাহিদ ইসলাম জবানবন্দিতে জানান, আন্দোলনের সময় সমন্বয়কদের গুম, ডিবি অফিসে নির্যাতন, নির্বিচারে ছাত্র-জনতার ওপর হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানো, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নির্যাতন, আন্দোলন দমনে গোয়েন্দা সংস্থার চাপ, এসব ঘটনা হত্যাযজ্ঞের অংশ হিসেবেই সংঘটিত হয়।
তিনি বলেন, ‘আমি এবং ভিকটিম পরিবাররা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি। শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা যারা জড়িত ছিলেন, তাদের দায়ী করেছি। যারা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিল তাদের বিচার এবং কঠোর শাস্তি চাই।’
চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, নাহিদ ইসলামের জবানবন্দি মামলার প্রেক্ষাপট ও আসামিদের ভূমিকা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। তিনি বলেন, ‘তিনি আন্দোলনের ফ্রন্ট যোদ্ধা ছিলেন। তাই তার সাক্ষ্য মামলার বিচারে অকাট্য প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
নাহিদের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হলো মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া। এখন আদালত পরবর্তী কার্যক্রমের মাধ্যমে রায় ঘোষণার দিকে অগ্রসর হবে।
Leave a Reply