আর্ন্তজাতিক ডেক্স :
অধিকৃত পশ্চিম তীরে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পশ্চিমা শক্তিগুলোর ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণায় আনন্দের জোয়ারে ভেসেছে ফিলিস্তিনিরা। রামাল্লাহ শহরের কেন্দ্রীয় চত্বরে শত শত মানুষ ফিলিস্তিনি ও ইউরোপীয় পতাকা হাতে নিয়ে এবং প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের পোস্টার উঁচিয়ে উদযাপন করেছে এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
লাউডস্পিকারে ভেসে আসছিল দেশপ্রেমমূলক স্লোগান, হাতে ছিল ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ লেখা সাইনবোর্ড। ফাতাহ আন্দোলনের শীর্ষ নেতারা ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা করমর্দন ও হাসিমুখে অংশ নেন এ আয়োজনে।
ফাতাহর কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব জিবরিল রজুব এএফপিকে বলেন, “এই স্বীকৃতি হলো একটি প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ, যা আমরা আশা করি অব্যাহত থাকবে। এটি আমাদের জনগণের শত বছরের প্রতিরোধ ও দৃঢ় সংকল্পের ফল।”
তিনি আরও জানান, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণগুলো শুনে তিনি আবেগাপ্লুত হয়েছেন এবং জনগণের ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ফাতাহ সদস্য মাইসুন মাহমুদ বলেন, “আজ আমরা শুধু ধন্যবাদ জানাতে আসিনি, বরং যুদ্ধ থামাতে আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাতে এসেছি। এখন বিশ্বের দায়িত্ব নেওয়ার সময় এসেছে।”
উত্তরের তুলকারেম শহরেও একইভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোর পতাকা হাতে উদযাপন করেছে আরও কয়েক ডজন মানুষ।
সাম্প্রতিক সময়ে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টাসহ ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর একদিন আগে ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও পর্তুগালও একই পদক্ষেপ নেয়। প্রায় দুই বছরের গাজা যুদ্ধ এবং পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই স্বীকৃতিকে ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য এক নতুন আশার আলো হিসেবে দেখা হচ্ছে।
Leave a Reply