জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) কোন তথ্য পরিবর্তন করা যাবে এবং কোন তথ্য পরিবর্তনযোগ্য নয়—এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি জানান, এনআইডির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপাতত পরিবর্তন করা যাবে না। এর মধ্যে রয়েছে—ভোটারের নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, পেশা, জন্মতারিখ, ভোটার ঠিকানা এবং ছবি। সচিব বলেন, “এই ৭টি ফিল্ড এই মুহূর্তে পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার আগে এই তথ্যগুলো পরিবর্তন করা যাবে কি না, তা নিয়ে পরে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।”
তবে এনআইডিতে কিছু তথ্য পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। আখতার আহমেদের ভাষ্য—স্বামী বা স্ত্রীর নাম, বৈবাহিক অবস্থা, ধর্ম (জরুরি প্রয়োজনে), প্রতিবন্ধকতার ধরণ এবং ফোন নম্বরসহ কয়েকটি তথ্য ভোটাররা সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তিনি জানান, বিশেষ করে মোবাইল নম্বর বিষয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। এনআইডিতে দেওয়া নম্বর পরিবর্তন বা অকার্যকর হয়ে গেলে কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবায় জটিলতা দেখা দেয়। তাই এই তথ্য পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ভোটার নিবন্ধনের সময়সীমা আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্তও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসীরা অনলাইন বা নির্ধারিত মাধ্যমে নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।
ইসির সচিব বলেন, “প্রবাসীদের ব্যাপক আগ্রহের কারণে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। নতুন সময়সীমার মধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন তারা।”
নির্বাচন কমিশনের মতে, এনআইডিতে তথ্য পরিবর্তন সংক্রান্ত এই নির্দেশনাগুলো ভোটারদের মাঝে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমাতে সহায়তা করবে।
Leave a Reply