যাত্রী হয়রানি ও টিকিট কালোবাজারি রোধে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রেলওয়ের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে এ সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে বলা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিট ক্রয়-বিক্রয়ের নামে যাত্রীদের হয়রানি ও প্রতারণার চেষ্টা করছে। 이를 প্রতিরোধে রেলওয়ে ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ নীতি কার্যকর করছে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই সাপেক্ষে আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
টিকিট কালোবাজারি রোধ এবং যাত্রী সুরক্ষার জন্য একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্সের সদস্যরা টিকিটের উপর মুদ্রিত যাত্রীর নাম ও এনআইডি নম্বর, যাত্রীর পরিচয়পত্রের তথ্য যাচাই করবে। যদি টিকিটের তথ্যের সাথে যাত্রীর পরিচয় মেলে না, তবে সেই যাত্রীকে বিনা টিকিটে ভ্রমণকারী হিসেবে গণ্য করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ভাড়া ও জরিমানা আদায় করা হবে।
এছাড়া, অন্য কারও এনআইডি ব্যবহার করে সংগৃহীত টিকিট নিয়ে ভ্রমণ করলে আইন অনুযায়ী অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ডেও দণ্ডিত হতে হবে। সন্দেহজনক টিকিট ক্রয়-বিক্রয়, অন্যের নিকটে টিকিট বিক্রয় ও টিকিট বিজ্ঞাপনের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রেলওয়ে যাত্রীদের সতর্ক করেছেন, অনুমোদিত ওয়েবসাইট এবং রেলওয়ের অ্যাপস ব্যতীত অন্য কোনো উৎস থেকে টিকিট সংগ্রহ করলে তারা হয়রানি বা প্রতারণার শিকার হতে পারেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত ভ্রমণ নিশ্চিত করা এবং টিকিট কালোবাজারি পুরোপুরি বন্ধ করার উদ্দেশ্যে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply