যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপের বাইরে থাকা ১৯টি দেশের নাগরিকদের সব ধরনের অভিবাসন আবেদন অস্থায়ীভাবে স্থগিত করেছে। প্রশাসনের দাবি, সাম্প্রতিক জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের আওতায় পড়েছে সেই সব দেশের নাগরিক যারা আগেই আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন। এতে বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থায় নতুন বিধিনিষেধ আরোপ হলো। প্রশাসনের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নতুন নীতিতে যে ১৯ দেশের নাগরিকদের আবেদন স্থগিত করা হয়েছে, সেগুলো হলো: আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়াটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, ইয়েমেন, বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।
এই দেশগুলোর প্রতিটি আবেদনকারীর জন্য পূর্ণাঙ্গ পুনঃমূল্যায়ন চালাতে হবে। প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তাদের ঝুঁকি নিরূপণ করা হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তে বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া কঠোরভাবে সীমিত হবে, যা ভবিষ্যতে এসব দেশের নাগরিকদের ওপর বিস্তৃত প্রভাব ফেলতে পারে।
Leave a Reply