বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
Title :
ফ্লাশের সময় কমোডের ঢাকনা তুলে রাখা উচিত নাকি নামিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের সমর্থনের ব্যাখ্যা দিলো প্রেস উইং আপিল শুনানির শেষ দিন আজ, দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েও সিদ্ধান্ত দেবে ইসি নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অনীহা ও শৈথিল্য দেখা গেলেই কঠোর ব্যবস্থা হজযাত্রীদের টিকাদান কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে বিজিবি মোতায়েন বিয়ে করলেই মিলবে বিশাল অনুদান, সন্তান জন্ম দিলে দ্বিগুণ! মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা ডিপার্টমেন্ট হবে: তারেক রহমান ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত বাংলাদেশের দাবি না মানলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান!

ঢাকার কাছে একই স্থানে বারবার ভূমিকম্প, যা জানা গেল

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২.৪২ অপরাহ্ণ
  • ১২৪ বার

মাত্র দুদিনের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফের ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা ১৪ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডে নরসিংদীর শিবপুরে উৎপত্তি হওয়া ৪.১ মাত্রার এই ভূমিকম্প রাজধানীসহ নিকটবর্তী এলাকায় ধরা পড়ে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবির জানান, দেশের একটি বড় ভূমিকম্পের পর ছোট ছোট মৃদু কম্পনগুলোকে আফটারশক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে আফটারশকের পরবর্তী সম্ভাব্য ভূমিকম্পের সঠিক পূর্বাভাস এখনও পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পগুলো বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হিসেবে দেখা যেতে পারে। বাংলাদেশ একটি সক্রিয় প্লেট সীমান্তে অবস্থিত হওয়ায় যে কোনো সময় বড় ধরনের কম্পন ঘটার সম্ভাবনা থাকে। দেশের বড় ধরনের ভূমিকম্পের প্রধান উৎস দুটি ডাউকি ফল্ট, যা ভারতের শিলং মালভূমি থেকে বাংলাদেশের ময়মনসিংহ-জামালগঞ্জ-সিলেট অঞ্চলে বিস্তৃত, এবং সিলেট থেকে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত আরও একটি ফল্ট।

গত কয়েক সপ্তাহে দেশে কয়েক দফা ভূমিকম্প হয়েছে। ২১ নভেম্বর ৫.৭ মাত্রার প্রধান ভূমিকম্পে নরসিংদীর মাধবদী সবচেয়ে বেশি কম্পন অনুভূত হয়। পরবর্তী ২২ নভেম্বর ও ২৭ নভেম্বরেও নরসিংদীসহ আশপাশে ৩.৩ থেকে ৪.৩ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প ধরা পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের কম্পন আফটারশক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঢাকার ভূমিকম্প ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য মোট ৩২টি এলাকায় ভৌত কাঠামো পর্যালোচনা করা হয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলের সবুজবাগ, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, কাফরুল, ইব্রাহিমপুর, কল্যাণপুর, গাবতলী, উত্তরা, সূত্রাপুর, শ্যামপুর, মানিকদী, মোহাম্মদপুর, পল্লবী, খিলগাঁও ও বাড্ডা এলাকায় কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

ভূতাত্ত্বিকদের মতে, রাজধানীসহ দেশের আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা এসব ফল্ট ও কম্পন সংক্রান্ত সতর্কতা ও প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

Footer Widget

Footer Widget

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© 2019, All rights reserved.
Design by Raytahost.com