ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভোটার ও প্রার্থী সংক্রান্ত নীতিমালা আরও পরিস্কার করতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি, ২০২৫’-এ নতুন সংশোধনী আনা হচ্ছে। মূলত পোস্টাল ভোটিং প্রক্রিয়া সংযুক্ত হওয়ায় গণভোট অধ্যাদেশের সঙ্গে আরপিওতে সমন্বয় সাধনের জন্য এই পরিবর্তন করা হচ্ছে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, সংশোধিত আরপিও ও আচরণবিধি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আলোচনার জন্য উঠানো হবে। ইতিমধ্যেই সংশোধনী প্রস্তাবনা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
প্রধান সংশোধনীসমূহ:
আরপিও: পোস্টাল ব্যালটে ভোটারের স্বাক্ষর না থাকলে বা প্রতীকের বিপরীতে ক্রস/টিক না থাকলে ব্যালট গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না। আদালতের রায়ে প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন হলে সেই আসনের জমা হওয়া পোস্টাল ব্যালটও গণনা হবে না।
আচরণবিধি:
ধারা ৪-এর উপ-বিধি (৩), বিধি ৬-এর উপ-বিধি (ক, খ, গ, ঘ), বিধি ৯-এর উপ-বিধি (গ) ও বিধি ২৬-এর উপ-বিধি (৩)-এ ভাষাগত ও করণিক ভুল সংশোধন করা হচ্ছে (যেমন ‘করিবে’ শব্দের স্থলে ‘করিতে পারে’ ব্যবহার)।
নতুন প্রস্তাব: প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা বা মেট্রোপলিটন এলাকার নির্বাচনি এলাকায় ওয়ার্ড প্রতি সর্বাধিক ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না। এর ফলে প্রতিটি ওয়ার্ডে অন্তত একটি করে বিলবোর্ডের সুযোগ থাকবে।
বিধি ১৭-এর উপবিধি (১) সংশোধনের মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারে মাইকের ব্যবহার সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
ইসি বলেছে, যেসব অংশে জোট করলেও স্ব স্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার বিদ্যমান বিধান রয়েছে, সেগুলোতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
এই সংশোধনী নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।
Leave a Reply