বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
Title :
ফ্লাশের সময় কমোডের ঢাকনা তুলে রাখা উচিত নাকি নামিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের সমর্থনের ব্যাখ্যা দিলো প্রেস উইং আপিল শুনানির শেষ দিন আজ, দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েও সিদ্ধান্ত দেবে ইসি নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অনীহা ও শৈথিল্য দেখা গেলেই কঠোর ব্যবস্থা হজযাত্রীদের টিকাদান কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে বিজিবি মোতায়েন বিয়ে করলেই মিলবে বিশাল অনুদান, সন্তান জন্ম দিলে দ্বিগুণ! মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা ডিপার্টমেন্ট হবে: তারেক রহমান ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত বাংলাদেশের দাবি না মানলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান!

সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা পরিকল্পনার বৈঠকে ছিলেন সোহেল তাজ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫.০১ অপরাহ্ণ
  • ৬২ বার

পিলখানায় ২০০৯ সালের বর্বর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন প্রায় ১১ মাসের তদন্তের পর গত রোববার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে। কমিশনের প্রধান ছিলেন মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান। ওই হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন।

কমিশনের ৩৬০ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে পরিকল্পনা করা হয়েছিল সরকারি ও রাজনৈতিক পদস্থ ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে। প্রতিবেদনে উল্লেখ, বিডিআর সদস্যদের বিভিন্ন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ব্যারিস্টার তাপসের বাসায়, যেখানে অফিসারদের জিম্মি করার প্রাথমিক পরিকল্পনা পরে হত্যার সিদ্ধান্তে পরিবর্তিত হয়।

তদন্তে উঠে আসে যে, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই শেখ ফজলুল করিম সেলিমসহ ২৪ জনের একটি ভারতীয় গোয়েন্দা দল বৈঠকে অংশগ্রহণ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার সিদ্ধান্ত ওই বৈঠকেই নেওয়া হয় এবং তাপসকে হত্যাকাণ্ডে যুক্তদের নিরাপদে পালাতে সহায়তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আরও অংশগ্রহণ করেছিলেন আওয়ামী লীগ নেতারা: জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, লেদার লিটন ও তোরাব আলী। এছাড়া, ৪৪ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের সিও কর্নেল শামস পরিকল্পনার বিষয়ে অবগত ছিলেন এবং তাপস প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সিদ্ধান্ত অনুমোদনের দায়িত্বে ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণ বিডিআর সদস্যদের ডাল-ভাত কর্মসূচি নিয়ে ক্ষোভ উস্কে দিয়ে বিদ্রোহ সৃষ্টি করা হয়, যা মূল হত্যাকাণ্ডের বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হয়। হত্যার উদ্দেশ্যে বিপুল অর্থ বিতরণ করা হয়েছিল এবং বৈঠকগুলো বাসা, অফিস ও মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তদন্তে আরও উঠে আসে যে, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে সংসদ সদস্য গোলাম রেজা পিলখানায় আলাউদ্দিন নাসিম, সাবেক এমপি মোর্শেদ, শেখ সেলিম ও ভারতীয় গোয়েন্দাদের উপস্থিতি দেখেছেন।

কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ড শুধু একটি সামরিক বিদ্রোহ নয়, বরং পরিকল্পিত রাজনৈতিক ও বিদেশি অংশগ্রহণযুক্ত এক হত্যার ঘটনা।

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

Footer Widget

Footer Widget

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© 2019, All rights reserved.
Design by Raytahost.com